বড় স্বপ্ন নিয়ে বিয়ে না করলেও একটু আশা নিয়ে বিয়েটা

বড় স্বপ্ন নিয়ে বিয়ে না করলেও একটু আশা নিয়ে বিয়েটা , না সহ্য করতে পেরে।কোন উপায় না

পেয়ে বিয়েতে রাজি হয়েছিলাম।ভেবেছিলাম বয়স বেশি দেখতে অসুন্দর তাতে কি হয়েছে খেতে পড়তে

তো পাড়ব।সংসার কাকে বলে তখন বুঝতে পারে নি।সংসার বুঝে উঠার আগেই বাবা, আর নতুন মায়ের চাপে

১৪ বছর বয়সেই আমি বিয়েটা করে নিই। বিয়ে করার পর যে সুখটা ছিল সেটাও চলে গেল।ঘরুয়া ভাবে চুপিচুপি

আরও ভালবাসার গল্প পেতে ভিজিট করুউঃ todaylawfirm.com

বড় স্বপ্ন নিয়ে বিয়ে না করলেও একটু আশা নিয়ে বিয়েটা

গাড়ি করে তার বাড়ি নিয়ে যায়।যাওয়ার সময় লোকটার হাবভাব দেখে মনে হয়েছিল লোকটা নেশাখোর আর

চরিত্রহীন।যখন লোকটার সাথে বাড়িতে গেলাম বুঝতে পারলাম লোকটা অনেক ধনী আর ম্পদশালী।

আমাকে বাড়ির ভিতর ঢুকিয়ে শক্ত করে হাত ধরে রুমের ভিতর নিয়ে ধাক্কা দিয়ে ফেলল।আর ওনি একের পর

এক মদের বোতল শেষ করতে থাকল।সব আশায় তখন নিরাশ হয়ে গেল।বুঝতে পারছিলাম আমার জীবনের

সব সুখ উড়ে গেছে তা আর ফিরে আসবে না। আরও যন্ত্রণায় কাতর হলাম তখন যখন খেয়াল করলাম রাতের

বেলায় আমার স্বামীর পরিবর্তে অন্য একটা লোক আমার রুমে ঢুকে আমাকে ঝাপটে ধরে।ভয়ে জোরে

চিৎকার করে উঠেছিলাম।পাশের রুম থেকে আমার স্বামী এসে বলল কি রে হারামজাদী এভাবে চিল্লাছিস কে?

আমি ওনার এ ভাষাটা শোনে অবাক হলাম

কিছুটা বিস্মিত হয়ে শান্ত স্বরে ওনাকে বললাম আপনি দেখেন এ লোকটা এসে আমার সাথে অসভ্যতা করছে।

কর্কশ হাসি দিয়ে বলল হারামজাদী একে খুশি কর।না হয় তোর কপালে দুঃখ আছে।যা যা করতে বলে তাই

ওনার কথাটা আমার বুকটা ভেদ করে কলিজায় লাগল।তবুও বললাম আপনি আমার স্বামী হয়ে এমন কথা

বলতে লজ্জা লাগছে না? আমি তোর স্বামী কে বলেছে?আমি তোকে তোর বাপের কাছ থেকে কিনে এনেছি।

আশে পাশের লোক খারাপ বলবে তাই বিয়ের নাটক করেছি।তোর বাপ আমার কাছে তোকে বিক্রি করে দিছে।

এখন আমি যা বলি তুই তাই করবি।ওনাকে খুশি কর। এই বলে ওনি লোকটাকে ইশারা করে দরজা লাগিয়ে

চলে গেল।আর লোকটা আমার উপর পশুর মত ঝাপিয়ে পড়ল।আমি বললাম আপনি আমার বাবার বয়সী

এমন করবেন না।আপনার মা,বোন মেয়ে থাকলে কি এমন করতে পারতেন?আমাকে ছেড়ে দিন।

বড় স্বপ্ন নিয়ে বিয়ে না করলেও একটু আশা নিয়ে বিয়েটা

পায়ে পড়ি আপনার।আমার ক্ষতি করবেন না প্লিজ। কিন্তু তিনি এক পৈচাশিক হাসি দিয়ে আমাকে বলল এসব বলে লাভ নেই সুন্দরী আমাকে একটু খুশি করে দাও।এসব বলে আমার গায়ের উপর এসে আমাকে শক্ত করে ধরল।

আর আমাকে খুবলে খুবলে খেল।সেদিন আমার চিৎকার শোনার মত কেউ ছিল না।মনে হয়েছিল এক হায়েনা আমার কাঁচা মাংস খুবলে খুবলে খাচ্ছে।ওনার খাওয়া শেষ হওয়ার পর আমার স্বামী আমাকে ঠিক একই ভাবে খুবলে খুবলে খেয়েছে।

তারা ভুলেই গিয়েছিল আমি একটা মানুষ।আমার কষ্ট হচ্ছে।যন্ত্রনার চিৎকার যেন তাদের সুখটা আরও বাড়িয়ে দিয়েছিল।কাজশেষে আমাকে লাথি দিয়ে ফেলে অন্য রুমে চলে গেল।আমি যন্ত্রণায় ছটফট করতে লাগলাম।

সারা শরীরে হায়েনাদের আঘাত করা ক্ষতগুলো ভেসে উঠল।সে সাথে তীব্র যন্ত্রণায় কাতরাতে লাগলাম।

About admin

Check Also

কষ্টের শেষটা যদি সেখানেই হত তাহলে তো ভালোই ছিল

কষ্টের শেষটা যদি সেখানেই হত তাহলে তো ভালোই ছিল

কষ্টের শেষটা যদি সেখানেই হত তাহলে তো ভালোই ছিল, বড় স্বপ্ন নিয়ে বিয়ে না করলেও …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *