কিন্তু কে জানতো এই অতি সর্তকতাই ওদের জন্য

কিন্তু কে জানতো এই অতি সর্তকতাই ওদের জন্য, সবার কপালেই দুঃচিন্তার ছাপ। পিশাচ ফিরে এসেছে?

এটাতো একই সাথে ভয় আর আতঙ্ক উঠার মতই ঘটনা। সবার মনে যেটুকু সাহসের আভাস দেখা দিয়েছিলো

আবার সেটা মিলিয়ে গেলো। তবুও আগে অন্তত রাতের বেলাতেই এমনটা ঘটতো, কিন্তু এখন তো

দিনে দুপুরে মানুষ মারা পড়ছে। ঘটনাটা কিন্তু কেবল গৌতমদের গ্রামেই সীমাবদ্ধতা রইলো না।

আরও ভালবাসার গল্প পেতে ভিজিট করুউঃ todaylawfirm.com

কিন্তু কে জানতো এই অতি সর্তকতাই ওদের জন্য

বরং দুই চার গ্রাম পেরিয়ে গেলো। অদৃশ্য শত্রু কখন কোন গ্রামে আক্রমণ করবে সে তো আর বলা যায় না।

তাই সর্তকতা শিথিল করলে চলবে না। কিন্তু সর্তক যে হবে কার থেকে হবে? যেখানেই শত্রু নিজে অদৃশ্য

থেকে একের পর এক অনিষ্ট করে যাচ্ছে সেখানে সর্তক হয়েই কী কোনো ফল পাওয়া যাবে? প্রশ্নটা যখন

সবার মনেই উঁকি দিচ্ছে ঠিক তখনই খবরটা আসলো পাশের গ্রাম থেকে। এবার আর একটা নয় দুইটা নয়

বরং বেশ কয়েকজন লোক এক সাথেই মারা পড়েছে ভয়ংকর সেই পিশাচের হাতে। হাত বলা কী ঠিক হবে?

পিশাচের কী হাত থাকে? থাকে বোধহয়, যদি নাই বা থাকবে তাহলে শিকার ধরে কীভাবে? নাকি এই অপদেবতা

দেখতে অনেকটা বনের হিংস্র জন্তুদের মতই, চার পায়ে হাঁটে কী? মোট কথা হলো পিশাচ আসলে কী

সেটা দেখতেই বা কেমন কেমনই বা তার

আচরণ এ সম্পর্কে কারোরই ধারণা নেই। সবাই কেবল নিজেদের মত করেই একটা অতিকায় ভয়ংকর মূর্তি কল্পনা করতেই ব্যস্ত। পাশের গ্রাম থেকে যে বিস্তারিত ঘটনা শোনা গেলো তা ঠিক এমন। যদিও সে গ্রামে তখনও কোনো প্রকার সমস্যা দেখা দেয়নি তবুও তারা  আগে থেকেই বেশ সর্তকতা অবলম্বন করেছিলো।

ঠিক করা হয়েছিলো, গ্রামের চারিদিকে পাহারার ব্যস্ততা করা হবে। এক জন নয় বরং দল বেঁধে।

কিন্তু কে জানতো এই অতি সর্তকতাই ওদের জন্য

আর সবার হাতেই থাকবে আগুনের মশাল। যা ভাবা তাই কাজ। কাল হয়ে দাঁড়াবে? মাঝ রাত, যারা সে রাতে পাহারায় ছিলো তারা অতি সাবধানে নিজেদের কাজ করছিলো। সবাই চোখ কান খোলা রেখেছে,

সবার হাতেই আগুনের মশাল জ্বলছে দাঊ দাঊ করে। আনুমানিক রাত দুইটা পর্যন্ত তেমন কিছুই ঘটলো না। হুমমম মাথা তো ছিলো। খুঁজে দেখলে হয় না

হতে পারে কোথাও পড়ে আছে। এই কথা শুনে আরেকজন খেঁকিয়ে উঠে বললো, কোথায় খুঁজবো? অনেক তো খোঁজা হলো, যদি মাথা থাকতো তাহলে এতক্ষণ ঠিক পাওয়া যেত।

About admin

Check Also

যতটা কষ্ট দিয়েছিলাম তার থেকে বেশি কষ্ট এখন

যতটা কষ্ট দিয়েছিলাম তার থেকে বেশি কষ্ট এখন , বাবা, মায়ের খুব আদরের সন্তান ছিলাম। …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *