ওরে মুখে হাত বুলিয়ে বলল এভাবে কান্না করলে কি

ওরে মুখে হাত বুলিয়ে বলল এভাবে কান্না করলে কি, মারিয়া বিছানার ওপর চুপ করে বসে আছে।

ওর পাশে হুইল চেয়ারে ইরফান মাথায় হাত দিয়ে বসে আছে।মারিয়ার সেই আন্টি বেশ কয়েকবার খাবার

খাওয়াতে চাইলো কিন্তু মারিয়া খেলো না তাই তিনি খাবার টেবিলের ওপর রেখে চলে গেলো।সে মাঝে মধ্যে শুধু

কেঁদে উঠছে।বিশেষ করে নিজের ছেলের কথা ভেবে মারিয়ার আরো বেশ কষ্ট হচ্ছে।ইরফান মারিয়ার সামনে এসে

তারা আর ফিরে আসবে বরং এতে তোমার শরীরের ক্ষতি হবে।তার চেয়ে দোয়া করো যেন তোমার  ভালো থাকেন।

আরও ভালবাসার গল্প পেতে ভিজিট করুউঃ todaylawfirm.com

ওরে মুখে হাত বুলিয়ে বলল এভাবে কান্না করলে কি

এখন ভালো মেয়ের মতো খেয়ে নাও। ইরফান খাবারের থালা হাতে নিয়ে মারিয়াকে তুলে খাইয়ে দিতে চাইলো।

ইরফানের দিকে তাকালো তারপর খাবারটা খেলো।দুই একবার খেয়ে আর খেলো না।

মারিয়া শুয়ে পড়লো কারন কান্না করতে করতে আবার মাথা ব্যথা করছে, চোখটাও ব্যথা করছে।

মারিয়া চোখ বন্ধ করতে অনুভব করলো ওর মাথায় কেউ হাত বুলিয়ে দিচ্ছে।মারিয়া চোখ খুলতে দেখলো

সে আর কেউ না সে হলো ইরফান।মারিয়া বলল আমার মাথা কষ্ট করে হাত বুলিয়ে দিতে হবে না

আপনার আমি ঠিক আছি। চুপ করে শুয়ে থাকো আমার মুখে মুখে তর্ক করবে না।এটা আমার একদম

পছন্দ নয়। মারিয়া আর কিছু না বলে চোখ বুজে ফেললো।মারিয়া মনে মনে ভাবছে, লোকটা আসলেই খুব ভালো।

বেশি হলেও ভিতরে কেয়ারিং ভাবটা এখনো রয়ে গেছে

আসলে মেয়েরা তো এসবই চায় যে ওদের দুঃসময়ে কাছের মানুষটি সবসময় তার কেয়ার করুক।

এদিকে পোস্টমর্টেম রিপোর্ট থেকে দেখা গেলো যে রক্তশূন্যতার কারনে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে।

শরীর থেকে এতোগুলো রক্ত কিভাবে হাওয়া হয়ে গেলো সেটা ভেবে সবাই অবাক।যারা পোস্টমর্টেম

করেছে তারা এটাও জানিয়েছে যে শরীর হতে রক্ত বের করে নেওয়ার কোন চিহ্ন তারা খুজে পায়নি।

কেসটা পুলিশের কাছে অনেক জটিল হয়ে গেলো।পরেরদিন সকালবেলা চজনকে দাফন করার জন্য

ওরে মুখে হাত বুলিয়ে বলল এভাবে কান্না করলে কি

নিয়ে যাওয়া হলো।সেই সময় ও মারিয়া অনেক কান্না করলো। এরপর মারিয়া ইরফানের সাথে বাসায় ফিরে আসলো।

মারিয়া মানষিক ভাবে একেবারে ভেঙ্গে পড়েছে।ঠিক মতো একটু খাওয়া দাওয়াও করে না।সবার কথা বার বার মারিয়ার মনে পড়ছে।

বিশেষ করে মেঘের কথা বেশি মনে পড়ে।সবার মৃত্যু মারিয়ার কাছে একদম অস্বাভাবিক লাগছে।মারিয়ার কোন কিছু ভালো লাগছে না,

কোন কাজে মন নেই।ইরফান মারিয়ার যথেষ্ট কেয়ার করছে।মারিয়া ভাবলো, নতুন একজনের জীবনে এসেছে সে এখন এসব কিছু নিয়ে না ভেবে তার সংসারে মন দেওয়াটায় বেটার হবে।মারিয়া স্বাভাবিক হতে প্রায় তিন-চার দিন সময় লাগলো।

About admin

Check Also

আমাকে দেখে তিনি বসতে বললেন আর বললেন কী

আমাকে দেখে তিনি বসতে বললেন আর বললেন কী

আমাকে দেখে তিনি বসতে বললেন আর বললেন কী, সমস্যায় পরেছি আমি। আমি সম্পূর্ণ ঘটনা খুলে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *