আমি জিজ্ঞেস করলাম কী দেখছেন উনি মাথা নেরে

আমি জিজ্ঞেস করলাম কী দেখছেন উনি মাথা নেরে, কাজের মেয়েটি দৌড়ে এসে বললো দাদা বাবু

দিদি মনি সাপের মতো হয়ে গেছে। এই কথা শুনে আমার হ্রদপিন্ড থমকে গেলো মনে হয়। আমি আর

কিছু না ভেবেই একটা দৌড় দিলাম। আর রাহির রুমের দিকে যেতে থাকলাম। আমি রাহির রুমে ঢুকলাম।

আর ঢুকেই দেখলাম রাহি তার হাত দিয়ে তার মুখ ঢেকে রেখেছে। আমি বললাম কী হয়েছে বোন ওভাবে মুখ।

আরও ভালবাসার গল্প পেতে ভিজিট করুউঃ todaylawfirm.com

আমি জিজ্ঞেস করলাম কী দেখছেন উনি মাথা নেরে

আমি দেখলাম রাহি মুখের উপর একটা সাপের মুখোশ পরে আছে। তার মানে এই মুখোশ টা দেখেই কাজের

মেয়েটি ভয় পেয়ে গেছে। আমি টান দিয়ে রাহির মুখ থেকে মুখোশ টা খুলে ফেললাম। আর রাহিকে বললাম

এসব কী ফাজলামো হচ্ছে রাহি? এসব এর মানে কী? রাহি বললো ভাইয়া তোমাদের সাথে একটু মজা করলাম।

যাতে তোমরা ভয় পাও। পুনরায় ড্রয়িং রুমে চলে আসলাম। আর কাজের মেয়েটিকে ডাকলাম।

আর বললাম এই দেখো রাহি মুখে মুখোশ পরে তোমাকে ভয় দেখিয়েছে। আর এই মুখোশ দেখে তুমি ভেবেছো

রাহি সাপ হয়ে গেছে। কাজের মেয়েটি আমাকে বললো দাদা বাবু আপনি আমার কথা বিশ্বাস করুন কোন

মুখোশ ছিলো না দিদিমনির মুখে। আমি স্পষ্ট দেখেছি রাহি দিদি মনি মুখ টা সাপের মতো দেখাচ্ছিলো।

আর মেয়েটিকে বললাম তুমি খুব ভয় পেয়ে আছো

তুমি একটা কাজ করো তুমি দুই দিনের ছুটি নিয়ে একটু গ্রাম থেকে ঘুরে আসো। মেয়েটি বললো না দাদা

বাবু আমি ঠিক আছি। কোথাও যেতে হবে না। আমি আমার রুমে চলে আসলাম। আর এসে ভাবতে থাকলাম

 

কাজের মেয়েটি তো মিথ্যা কথা বলার মেয়ে নয়। রাহি কী সত্যি সাপ হয়েছিলো যেটা মেয়েটি দেখে ফেলেছিলো।

আমি যেন সত্যিটা জানতে না পারি তাই এই মুখোশ এর নাটক টা করেছে বোধ হয়। আমি আর কিছুই ভাবতে পারছি

আমার সব কিছু কেমন জানি গুলিয়ে যাচ্ছে। আমি মনে মনে ভাবলাম আসে পাশে কোন সাপুরের সাথে কাল

আমি দেখা করবো। আমার পরিচিত সাধারণ একজন সাপুরে রয়েছে। আমি ভাবলাম কাল ওর সাথেই কথা

বলে দেখি কী হয় পরের দিন সকাল বেলা আমি ওই সাপুরের কাছে চলে গেলাম। আর আমি তাকে আমার

বোনের সাথে ঘটা সকল ঘটনা খুলে বললাম

তখন সে বললো এটা কোন সাধারণ ঘটনা বলে তো মনে হচ্ছে না। নিশ্চয়ই এর পিছনে কোন নাগিন

এর হাত রয়েছে। আর নয়তো আপনার বোন নিজেই একজন নাগিন। আমি বললাম কী বলছেন এসব?

আমার মা বাবা সাধারণ মানুষ ছিলো। তাহলে আমার বোন কী ভাবে নাগিন হবে। সে বললো আপনাকে একজন

সাহায্য করতে পারে। সে হলো আমাদের গুরু সোহান সাপুরে। সে দীর্ঘ দিন ধরে এই নাগ নাগিনী নিয়ে

গবেষনা করছে। আমি তারা তারি বললাম চলুন তাহলে তার সাথে আমার দেখা ও কথা বলিয়ে দিন।

আমি জিজ্ঞেস করলাম কী দেখছেন উনি মাথা নেরে

সেই লোকটা আমাকে একটা বড় বৃক্ষের নিচে থাকা ছোট একটা ঘরে নিয়ে এলো আর বললো ভিতরে জান। তাকে ভিতরেই পেয়ে যাবেন। আমি ভিতরে ঢুকলাম। আর ঢুকে দেখলাম কী জানি বই নিয়ে তিনি পড়া শুনা করছেন। আমাকে দেখে তিনি বসতে বললেন। আর বললেন কী সমস্যায় পরেছি আমি। আমি সম্পূর্ণ ঘটনা খুলে বললাম। আর বললাম আমাকে এবং আমার বোন কে সহায্য করুন দয়া করে। তিনি সব শুনে বললো চলো আমি তোমার সাথে তোমার বাড়ি যাবো। আমি নিজের চোখে তোমার বোন কে দেখতে চাই। আমি তাকে আমার সাথে আনলাম। আমাদের বাড়ির সামনে এসে এক দৃষ্টিতে বাড়ির দিকে তাকিয়ে আছে।

About admin

Check Also

কষ্টের শেষটা যদি সেখানেই হত তাহলে তো ভালোই ছিল

কষ্টের শেষটা যদি সেখানেই হত তাহলে তো ভালোই ছিল

কষ্টের শেষটা যদি সেখানেই হত তাহলে তো ভালোই ছিল, বড় স্বপ্ন নিয়ে বিয়ে না করলেও …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *